
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর ঘিরে একটি আকস্মিক বার্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক ও কূটনীতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সফরসূচি নিয়ে দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও, ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনের একটি বার্তা প্রকাশের পর তা দ্রুত সাংবাদিক ও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
চলতি মাসের শুরুতে ভারতের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাঠানো একটি বার্তায় জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি ভবনের নিয়মিত ‘চেঞ্জ অব গার্ড’ (Change of Guard) অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়—বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি ও পূর্ণাঙ্গ মহড়ার (Full-dress rehearsal) আয়োজন করা হচ্ছে।
সাধারণত যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর চূড়ান্ত হওয়ার পর দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ও প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী চিত্র দেখা যায়:
ঘটনাপ্রবাহের সারসংক্ষেপ
│ 🏛️ স্থান: রাষ্ট্রপতি ভবন, নয়া দিল্লি, ভারত
│ 📢 নোটিশ: নিয়মিত 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান বাতিল
│ 📌 ঘোষিত কারণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভ্যর্থনা মহড়া
│ 🔍 মূল বিষয়টি: বাংলাদেশের প্রধামন্ত্রীর সফর আনুষ্ঠানিকভাবে
│ ঘোষণা করার আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনের নোটিশ জারি
রাষ্ট্রপতি ভবনের এই বার্তা প্রকাশিত হওয়ার পরপরই নয়া দিল্লি ও ঢাকার কূটনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা দ্রুত এই সফরের সময়সূচি ও এজেন্ডা জানতে তৎপর হয়ে ওঠেন।
সফর ঘিরে প্রটোকল সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বার্তা এভাবে আগাম চলে আসায় বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে যেকোনো উচ্চপর্যায়ের সফরের সময়সূচি ও আনুষ্ঠানিকতা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই অভ্যর্থনার মহড়ার মতো গোপন প্রটোকল বার্তা প্রকাশ পাওয়া দুই দেশের সরকারের মধ্যকার প্রাথমিক যোগাযোগ ও আগামী দিনের শীর্ষ বৈঠকেরই একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।