
বাংলাদেশ পুলিশের ৯৯ শতাংশ সদস্যই সৎ ও দায়িত্বশীল বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি জানান, বাহিনীর হাতেগোনা কয়েকজনের অনিয়ম যেন পুরো পুলিশের ভাবমূর্তিকে নষ্ট না করে, সে জন্য অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি আরও কঠোর করা হবে।
আজ সোমবার রাজধানীর মালিবাগে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদর দপ্তরে আয়োজিত ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, "বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গেলেও পুলিশ সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একটি সফল জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার মাধ্যমে বাহিনী নতুন আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে এবং জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে।" তিনি অপরাধ তদন্তে সিআইডির পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন এবং তদন্তের মান বৃদ্ধিসহ দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
নৈতিকতা ও সততার ওপর জোর দিয়ে আইজিপি আরও বলেন, কোনো সদস্যের অনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরো বাহিনীর সুনাম প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে পেশাদারত্ব বজায় রাখা জরুরি। মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নেও তিনি কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, দুই দিনের এই সভায় প্রাপ্ত আলোচনার ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা আগামী তিন মাসে বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠান শেষে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিভিন্ন কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।