
স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এবার বড় ধরনের আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়েছে। টানা দ্বিতীয় মৌসুম শিরোপাহীন কাটানোর শঙ্কায় থাকা লস ব্লাঙ্কোদের স্কোয়াড ভ্যালু বা বাজারমূল্যে বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে। ট্রান্সফার মার্কেটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দলটির খেলোয়াড়দের মোট বাজারমূল্য ১৭৬ মিলিয়ন ইউরো কমেছে।
ব্যর্থতার প্রভাব যখন আর্থিক মূল্যে
এক বছর আগে কিলিয়ান এমবাপ্পের আগমনে রিয়াল মাদ্রিদকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দল মনে করা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় এবং লা লিগায় বার্সেলোনার চেয়ে ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়ার চড়া মাশুল দিতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত মূল্যে।
যাদের মূল্য সবচেয়ে বেশি কমেছে:
খেলোয়াড়দের বাজারমূল্যের এই পতনে সবচেয়ে বড় নাম জুড বেলিংহ্যাম এবং ভিনিসিউস জুনিয়র। নিচে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো:
| খেলোয়াড় | পূর্বের মূল্য | বর্তমান মূল্য | হ্রাসের পরিমাণ |
| জুড বেলিংহ্যাম | ১৮০ মিলিয়ন ইউরো | ১৪০ মিলিয়ন ইউরো | ৪০ মিলিয়ন ইউরো |
| ভিনিসিউস জুনিয়র | ১৮০ মিলিয়ন ইউরো | ১৫০ মিলিয়ন ইউরো | ৩০ মিলিয়ন ইউরো |
| রদ্রিগো গোয়েস | ১১০ মিলিয়ন ইউরো | ৫০ মিলিয়ন ইউরো | ৬০ মিলিয়ন ইউরো |
| এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা | ১০০ মিলিয়ন ইউরো | ৫০ মিলিয়ন ইউরো | ৫০ মিলিয়ন ইউরো |
| চুয়ামেনি | ১০০ মিলিয়ন ইউরো | ৭৫ মিলিয়ন ইউরো | ২৫ মিলিয়ন ইউরো |
| এদার মিলিতাও | ৬০ মিলিয়ন ইউরো | ২৫ মিলিয়ন ইউরো | ৩৫ মিলিয়ন ইউরো |
ব্যতিক্রম শুধু আর্দা গুলের ও ভালভার্দে
দলের এই মহাধসের মাঝেও উজ্জ্বল ব্যতিক্রম তরুণ তুর্কি আর্দা গুলের। তার বাজারমূল্য ৩০ মিলিয়ন থেকে এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ মিলিয়ন ইউরোতে। এছাড়া একাডেমি থেকে আসা রাউল অ্যাসেন্সিও ও গনজালো গার্সিয়ার দামও কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে, মাঝমাঠের কাণ্ডারি ফেদেরিকো ভালভার্দে নিজের ১২০ মিলিয়ন ইউরোর বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
মাঠের পারফরম্যান্স দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে না পারলে রিয়ালের এই ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও তলানিতে নামতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।