
আজান আওয়াইসের অভিষেক সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখলেও, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। মাত্র ২০ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে সফরকারীরা। ২১০ থেকে ২৩০—এই ২০ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পাকিস্তান।
তৃতীয় দিনের শুরুতে সবার নজর ছিল আজান আওয়াইসের দিকে। ৮৫ রান নিয়ে দিন শুরু করে দ্রুতই ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
রেকর্ড: অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানের ১৪তম ব্যাটার তিনি।
বিরল কীর্তি: বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেকে তিন অঙ্ক ছোঁয়া ষষ্ঠ ক্রিকেটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন আজান।
ইমাম উল হক ও আব্দুল্লাহ ফজলের সঙ্গে দুটি শতরানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন আজান। তবে দলীয় ২১০ রানে তাসকিন আহমেদ আজানকে (১০৩) বিদায় করতেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট।
তাসকিনের তোপ: আজানের পর পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদকেও (৯) স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তাসকিন।
মিরাজের স্পিন জাদু: তাসকিনের পর দৃশ্যপটে আসেন মেহেদী মিরাজ। অভিজ্ঞ ব্যাটার সৌদ শাকিলকে (০) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলার পর ক্রিজে সেট হওয়া আব্দুল্লাহ ফজলকেও (৬০) সাজঘরে ফেরান তিনি।
পাকিস্তান: ২৩০/৫ (আজান ১০৩, আব্দুল্লাহ ফজল ৬০; তাসকিন ২/৪১, মিরাজ ২/৫২)
এক সময় মনে হচ্ছিল পাকিস্তান ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে, কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের এই লড়াকু মানসিকতা ম্যাচটিকে আবার প্রাণবন্ত করে তুলেছে। এখন দ্রুত অলআউট করতে পারলেই লিড নেওয়ার সুযোগ থাকবে টাইগারদের সামনে।