
টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে বেইজিং সফরে রয়েছেন। চীনের বাজারে মাস্কের অবস্থান যেমন ঈর্ষণীয়, তেমনি তাকে ঘিরে থাকা বিতর্কের পাল্লাও নেহাত ছোট নয়। বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অফ দ্য পিপল’-এ শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সম্মেলনে মাস্কের উপস্থিতি চীনের প্রযুক্তি ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
২০১৮ সালে কোনো স্থানীয় অংশীদার ছাড়াই চীনে এককভাবে কারখানা স্থাপনের অনুমতি পেয়ে ইতিহাস গড়েছিল টেসলা।
বাজার দখল: গত বছর চীনে টেসলা প্রায় ৬ লাখ ২৬ হাজার গাড়ি বিক্রি করেছে। চীনের মোট আয়ের এক-পঞ্চমাংশ আসে এই বাজার থেকে।জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও মাস্ককে চীনের মাটিতে বেশ কিছু চড়াই-উৎরাই পার হতে হচ্ছে:
নিরাপত্তা উদ্বেগ: ২০২১ সালে গাড়ির ক্যামেরার মাধ্যমে তথ্য পাচারের আশঙ্কায় সামরিক এলাকায় টেসলা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, যা পরে তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের পর তুলে নেওয়া হয়।দীর্ঘমেয়াদে মাস্কের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি চীনের নিজস্ব ইভি ব্র্যান্ডগুলোর দ্রুত উত্থান। স্থানীয় কোম্পানিগুলো যদি টেসলার প্রযুক্তিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে, তবে চীনে মাস্কের একক জৌলুস কমতে শুরু করবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ির বাজার এবং বিশাল সরবরাহ চেইন মাস্কের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে অপরিহার্য। তবে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার প্রযুক্তিগত স্নায়ুযুদ্ধ মাস্কের এই পথচলাকে কতটা মসৃণ রাখবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।