ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি: সংগৃহীত
ad728

ঐতিহাসিক চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক বিশেষ স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) এই আবেগঘন স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের তথা ‘৩৬ জুলাই’-এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি) উপলক্ষে যৌথভাবে এই বিশেষ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’।


দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ছাত্রদলের ৯ দিনের কর্মসূচি

এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনে দেশব্যাপী ৯ দিনের এক বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। গত বৃহস্পতিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘ কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ধারাবাহিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান শেষে আগামী ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশাল ছাত্র সমাবেশের মধ্য দিয়ে ৯ দিনের এই কর্মসূচি শেষ হবে। সমাপনী দিনের এই প্রধান ছাত্র সমাবেশেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।


আজকের এই স্মরণসভার খবরের পাশাপাশি সংসদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর জানা গেছে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রয়াণে তাঁর প্রতি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসে গিয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং শোকসন্তপ্ত ইরানি জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

দেখতে দেখতে দুটি বছর পেরিয়ে গেল চব্বিশের সেই রক্তঝরা ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘৩৬ জুলাই’ নামে এক নতুন স্বৈরাচারমুক্ত ভোরের জন্ম দিয়েছিল। শত শত তরুণের বুকের তাজা রক্ত আর হাজারো যোদ্ধার পঙ্গুত্বের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খোদ শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছেন—এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।  কেবল স্মরণসভা বা দিবসভিত্তিক কর্মসূচির মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে, জুলাইয়ের বীর শহীদদের স্বপ্নপূরণে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা এবং আহত ও শহীদ পরিবারগুলোর স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই হবে এই দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির সবচেয়ে বড় সার্থকতা।


সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা: খোলা আকাশের নিচে ৬২ ঘণ্ট

সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা: খোলা আকাশের নিচে ৬২ ঘণ্ট