ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ছবি: সংগৃহীত
ad728

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত পুনরায় চালু এবং সেগুলোতে দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের মধ্যেই এ সংক্রান্ত সকল প্রশাসনিক ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের সাথে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা প্রদান করেন।


গতি আসবে সরকারি শিল্পে, জোর দেওয়া হবে বেসরকারি বিনিয়োগে

বৈঠকে বন্ধ থাকা সরকারি কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সেগুলো দ্রুত উৎপাদনে ফেরানোর লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:

  • বিনিয়োগ আকর্ষণ: বন্ধ কারখানাগুলোতে নতুন করে দেশি ও বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ (Private Investment) টানার মাধ্যমে উৎপাদন চালু করা।

  • জটিলতা নিরসন: বিনিয়োগের পথে প্রধান বাধা আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা ও ফাইলবন্দি জটিলতা দ্রুত দূর করে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা।

  • সময়সীমা: আগামী বছরের অপেক্ষায় না থেকে চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা।

  • অনুকূল পরিবেশ: বিনিয়োগকারীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সম্পূর্ণ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।


 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:

  • প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

  • বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

  • বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম

  • বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা/BIDA) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

  • সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বছরের পর বছর ধরে বন্ধ থাকা সরকারি কারখানাগুলো রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে বেসরকারি বা যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে এগুলো চালু করতে পারলে একদিকে যেমন বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের শিল্প খাতও গতি পাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ করার সুনির্দিষ্ট আলটিমেটাম আমলাতন্ত্রের অলসতা ভাঙতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ সংবাদ
দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চায় ইরান, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে অবিশ্বাস: স্

দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চায় ইরান, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে অবিশ্বাস: স্