সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) পা রাখেন তারেক রহমান। তার এই সফরের পর থেকেই ক্যাম্পাসে তার ছাত্রজীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল তারেক রহমানের ঢাবিতে পড়াশোনা এবং তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন।
আসিফ নজরুলের দেওয়া তথ্যমতে, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রায় দুই মাসের মতো নিয়মিত ক্লাস করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে আইন বিভাগের ওপরের ব্যাচের ছাত্র থাকার সুবাদে আসিফ নজরুল বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে জানতেন।
তারেক রহমানের সেই ব্যাচে বর্তমানে দেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহপাঠী হিসেবে ছিলেন। আসিফ নজরুল কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন:
শিরীন শারমিন চৌধুরী: সাবেক স্পিকার।রিজওয়ানা হাসান: সাবেক উপদেষ্টা।
পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার নেপথ্য কারণ
তারেক রহমানের পড়াশোনা কেন মাত্র দুই মাসের মাথায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তার একটি যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করেছেন আইন উপদেষ্টা।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি: তখন দেশে এরশাদ সরকারের কঠোর শাসন আমল চলছিল।পারিবারিক প্রেক্ষাপট: প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সাথে এরশাদ জড়িত ছিলেন বলে তৎকালীন সময়ে জোরালো অভিযোগ ছিল নিরাপত্তা ঝুঁকি: আসিফ নজরুলের মতে, মূলত এই চরম প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের পর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রছাত্রীদের মাঝে তার শিক্ষা জীবনের এই খণ্ডচিত্র নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আসিফ নজরুলের এই তথ্যগুলো সেই কৌতূহল নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের পর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্রছাত্রীদের মাঝে তার শিক্ষা জীবনের এই খণ্ডচিত্র নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আসিফ নজরুলের এই তথ্যগুলো সেই কৌতূহল নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক