ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

হামের টিকাদানে সাফল্যের হার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২২ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের টিকাদানে সাফল্যের হার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২২ শতাংশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত
ad728

বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ২ কোটিরও বেশি শিশুকে প্রতিষেধকের (টিকা) আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে হামের টিকাদান কার্যক্রমে সাফল্যের হার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন

আজ দুপুরে কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই ঈর্ষাণীয় সাফল্যের তথ্য তুলে ধরেন।


প্রথম ধাপেই সংক্রমণের প্রকোপ হ্রাস:

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ হাম থেকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি জানান:

“প্রথম ধাপে দেশের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি উপজেলায় বিশেষ হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছে। অত্যন্ত নিবিড়ভাবে এই কর্মসূচি পরিচালনা করার ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে রোগ সংক্রমণের প্রকোপ ও তীব্রতা পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে।”

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা শিশুদের শতভাগ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য হলো—খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের প্রতিটি প্রান্তে শতভাগ টিকাদান (Universal Vaccination) নিশ্চিত করা।


ঈদের আগে হাসপাতালের জরুরি সেবা পরিদর্শন:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার মান ঠিক রাখা এবং নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের প্রধান প্রধান বিভাগগুলোর কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন:

  • জরুরি ও রোগী ব্যবস্থাপনা: ঈদে চিকিৎসকদের উপস্থিতি এবং জরুরি সেবা প্রদানের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।

  • ওষুধের পর্যাপ্ততা: সরকারিভাবে সরবরাহকৃত প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেন।

  • রোগীদের খোঁজখবর: মন্ত্রী নিজেই হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে চিকিৎসাধীন সাধারণ রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং সরকারি হাসপাতাল থেকে দেওয়া দৈনিক পথ্যের (খাবার) গুণগত মান সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।



স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ জেলা সফরের সময় তাঁর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. শাহ জাহান, সহকারী পরিচালক ডা. নিশাত সুলতানা এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

হামের টিকাদানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২২% অর্জন দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য নিঃসন্দেহে একটি বড় সুসংবাদ। তবে আসন্ন কোরবানির ঈদের ছুটিতে দেশের বড় বড় মেডিকেল ও জেলা হাসপাতালগুলোতে যেন জরুরি চিকিৎসাসেবা ভেঙে না পড়ে এবং রোগীরা যেন যথাসময়ে ওষুধ ও ডাক্তার পান, সেদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।


প্রেম, বিচ্ছেদ ও জুতো নিক্ষেপের গুঞ্জন আলোচনার কেন্দ্রে অনুপ

প্রেম, বিচ্ছেদ ও জুতো নিক্ষেপের গুঞ্জন আলোচনার কেন্দ্রে অনুপ