ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন রুবেল হোসেন: বিসিবির বিশেষ সম্মাননা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন রুবেল হোসেন: বিসিবির বিশেষ সম্মাননা ছবি সংগ্রহীত
ad728

মাঠ থেকে নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে অবসর নেওয়া যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এক অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের দেখানো পথেই এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গতিদানব রুবেল হোসেন। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় দেশের ক্রিকেটে নিবেদিত এই পেসারকে এবার যথাযথ বিদায়ী সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আগামীকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ শুরু হবে সকাল ১১টায়। ম্যাচটি শুরুর আগে রুবেল হোসেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান করা হবে। বিসিবি তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিসিবি লিখেছে, "বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন রুবেল হোসেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৯৩টি উইকেট নেওয়া এই যোদ্ধাকে বিসিবি যথাযথ সম্মান জানাতে চায়।"

রুবেলের ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান একনজরে দেখে নেওয়া যাক:

  • টেস্ট: ২৭ ম্যাচে ৩৬ উইকেট।

  • ওয়ানডে: ১০৪ ম্যাচে ১২৯ উইকেট।

  • টি-টোয়েন্টি: ২৮ ম্যাচে ২৮ উইকেট।

  • মোট উইকেট: ১৯৩টি।

দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটে রুবেলের অবদান অবিস্মরণীয়। বিশেষ করে ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার সেই বিধ্বংসী স্পেল আজও ভক্তদের মনে শিহরণ জাগায়, যা বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছিল। এছাড়া ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডকে 'বাংলাওয়াশ' করার ঐতিহাসিক মুহূর্তে কাইল মিলসকে বোল্ড করা কিংবা ২০১৩ সালে কিউইদের বিপক্ষেই হ্যাটট্রিক করা—রুবেল বারবার নিজেকে প্রমাণ করেছেন।

উল্লেখ্য, রুবেল হোসেন জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২১ সালের ১ এপ্রিল নিউজিল্যান্ড সফরে। প্রায় পাঁচ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে নিজের বুটজোড়া তুলে রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন এই গতির রাজা। বিসিবির এই উদ্যোগকে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, কারণ রুবেলের মতো একজন লড়াকু সৈনিক এমন বিদায়ী সম্মাননার যোগ্য দাবিদার।


সর্বশেষ সংবাদ
আমরা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ও প্রতিশ্রুতি পালনের রাজনীতি ক

আমরা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ও প্রতিশ্রুতি পালনের রাজনীতি ক